SS TV live
SS TV
wb_sunny

এই মুহুর্তে

সোনারগাঁয়ে ডাকাত সর্দার পায়েল বেপরোয়া।

 



সোনারগাঁও প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ছোট সাদিপুর গ্রামের রিকশাচালক হরমুজ মিয়ার ছেলে পায়েল। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দড়িকান্দি  বাস স্ট্যান্ড থেকে মারি খালি ব্রিজ পর্যন্ত ডাকাতি ছিনতাই করে থাকে।


পায়েল তার নিজস্ব বাহিনী নিয়ে সারাদিন ছোট সাদিপুর বন্দেরা এলাকায় অস্ত্রের মহড়া দেয়। ডাকাত সর্দার  পায়েল তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ছোট সাদিপুর ও এর  আশেপাশের এলাকায় মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। তার ও তার বাহিনীর অত্যাচারে ছোট সাদিপুর এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। এলাকার কেউ কিছু বললে তার বাহিনীর লোকজন তাদেরকে নানাভাবে হয়রানি ও মারধর করে। তার বাহিনীর ভয়ে নাম প্রকাশ করার অনিচ্ছুক ছোট সাদিপুর গ্রামের ১০ থেকে ১৫ জন মুরুব্বী জানান তার অত্যাচারে ছোট সাদিপুর এলাকা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে গেছে। চুন থেকে পান খসলেই তার বাহিনী আমাদের উপর অত্যাচার চালিয়ে থাকে। দিনের বেলায় পায়েল বাহিনী রামদা, ছুরি,চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল নিয়ে এলাকায় ঘুরাফিরা করে যাতে করে এলাকার সাধারণ মানুষ তাদেরকে ভয় পায়।  এলাকায় কোন নতুন বিল্ডিং বা জমি কিনলে পায়েল কে দিতে হয় লাখ টাকার উপরে চাঁদা।

থানা সূত্রে জানা যায়,পায়েলের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ ও এর আশেপাশের থানায় ডাকাতি সন্ত্রাস চাঁদাবাজি মাদকসহ ডজনখানেক মামলা আছে। 

মূলত সন্ধ্যার পর থেকে সে ডাকাতির প্রস্তুতি নিয়ে থাকে। তাদের প্রধান টার্গেট বিদেশ ফেরত মাইক্রোবাস ও প্রাইভেট কার। এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায় প্রতিদিন ২, ১ টি ডাকাতি সংঘটিত হচ্ছে এই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দড়িকান্দি ব্রিজ থেকে মারিখালি ব্রিজ পর্যন্ত। আর এই ডাকাতি করে থাকেন পায়েল বাহিনী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার বাহিনীর সদস্য  জানান অত্র লাকায় বিদেশ ফেরত যানবাহন প্রয়োজনীয়তার জন্য গাড়ি থামালে জঙ্গলে উৎপেতে থাকা পায়েল বাহিনী রামদা চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল নিয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে সবকিছু ছিনিয়ে নেয়। এই সদস্য আরো জানান পুলিশ জানে এলাকায় ডাকাতি করে পায়েল কিন্তু তার বাহিনীর কিছু সদস্য পুলিশের সোর্স তাই পুলিশ তাদেরকে আটক করে না। এই পুলিশের সোর্সেরাই মূলত পায়েলকে পুলিশের কাছ থেকে রক্ষা করে থাকে। আর এক রাজনৈতিক নেতার কর্মী তার এলাকায় প্রধান শেল্টার দাতা।

মাসখানেক আগে এ এস আই আলমগীর পায়েল এর  শশুর বাড়ি থেকে পায়েলকে আটক করতে সক্ষম হয়। কিন্তু সে অসুস্থতার বান ধরার ফলে পুলিশ তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হন।

বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় বর্তমানে দিনের বেলায় সাদিপুর এলাকায় অবস্থান করে পায়েল কিন্তু অদৃশ্য কারণে প্রশাসনে পায়েলকে গ্রেফতারে তেমন তৎপরতা দেখা যায় না।

তাই এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ মনে করেন অতি দ্রুত পায়েলকে  আটক করে আইনের আওতায় এনে, এলাকা থেকে সন্ত্রাস মাদক চুরি ছিনতাই ডাকাতি বন্ধ করতে হবে।

Tags

সাবসক্রাইব করুন!

সবার আগে নিউজ পেতে সাবসক্রাইব করুন!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন