SS TV live
SS TV
wb_sunny

এই মুহুর্তে

জাল স্বাক্ষরে দলিল তৈরী, মিথ্যা মামলায় চা দোকানীকে জেলে পাঠিয়ে বসতভিটি দখলের চেষ্টা সইপ্পার

 



নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ: বন্দরের কামতাল গ্রামে অবস্থিত টোটাল ফ্যাশন গার্মেন্ট নামে এক পোশাক তৈরী কারখানা। এই গার্মেন্টের গেইটের সামনে মিজানুর রহমানের পৈত্তিক বসতবাড়ি। বাড়ির সামনে টিনের ঘর তোলে চা-পান-সিগারেট বিক্রি করে সংসার চলে মিজানের। স্ত্রী সন্তান বাড়িতে না থাকায় পৈত্তিক বাড়িতে একাই মিজানের বসবাস।  টোটাল গার্মেন্ট সংলগ্ন মিজানের বসতবাড়িতে নজর পড়ে পাশ্ববতর্ী মালিভিটা গ্রামের মৃত শংসর আলীর ছেলে ভূমিদস্যু সফুরউদ্দিন সইপ্পার। চা-দোকানদার মিজানের অজান্তে তার স্বাক্ষর জাল করে গার্মেন্ট মালিক হাসিবউদ্দিনের নামে একটি বন্দর সাব-রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে একটি দলিল তৈরী করে সফুরউদ্দিন সইপ্পা। এর পর  মিজানকে আসামি করে সফুরউদ্দিন সইপ্পা  বাদি হয়ে  নারায়ণগঞ্জ আদালতে নামে একটি মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করে।  গোপনের এই মামলার ওয়ারেন্ট বের করে মিজানকে  পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়ে ভূয়া দলিলে মালিক হয়ে ওই বাড়ি দখলের চেষ্টাকালে  গ্রামবাসী প্রতিরোধে সইপ্পা ও তার বাহিনী দখলে ব্যর্থ হয়  বলে স্থানীয় গ্রামবাসীর অভিযোগ। এই পৈত্তিক সম্পত্তি রক্ষার্থে আদালতে আইনি প্রক্রিয়া লড়ছেন বলে জানান ভূক্তভোগী মিজানুর রহমান।

ভূক্তভোগী মিজানুর রহমান জানান, ৩ মাস আগে দোকানে বসে দোকানদারি করছি। এসময় কিছু বুঝি ওঠার আগেই পুলিশ দোকানের  ভেতরে প্রবেশ করে হঠাৎ হ্যান্ডকাপ পড়িয়ে আমাকে থানায় নিয়ে যায়। থানায় গিয়ে জানতে পারলাম আদালতের চাঁদাবাজির এক মামলার ওয়ারেন্টে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছেন।  কোর্টে চালান দেয়ার পর আইনজীবির মাধ্যমে জানতে পারলাম সফুরউদ্দিন বাদি হয়ে আদালতে একটি চাঁদাবাজির মামলা করেছে।  কেন মামলা করেছে ভেবে পাইনি। সাজানো মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে  ম্যাজিষ্ট্রেট মনে করে ওই দিনই জামিন দেন আদালত।  গ্রেপ্তারের পর রাতে বাড়িতে এসে গ্রামবাসীর কাছে জানতে পাই যে সইপ্পা তার কিশোর গ্যাং গ্রুপ ও চিড়ইপাড়া কলোনীর মাদক সেল্টারদাতা তারা কয়েকজনসহ ২০-৩০ জন নিয়ে আমার পৈত্তিক বসতবাড়ি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলো। গ্রামবাসীর প্রতিরোধে দখল করতে ব্যর্থ হয় সইপ্পা তার বাহিনী ।
৩ দিনের মধ্যে বন্দর সাব-রেজিষ্ট্রার অফিস থেকে দলিলের নকল তুলে দেখতে পাই আমি টোটাল ফ্যাশন মালিক হাসিবউদ্দিনের কাছে বসতবাড়ি বিক্রি করে ফেলেছি। পরে আইনজীবিদের পরামর্শে প্রতারণা মামলা দায়ের না করে দলিল বাতিল চেয়ে আদালতে একটি মোকাদ্দমা দায়ের করেছি। মামলা করেও এখন জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি।  আবারো মিথ্যা মামলায় হয়রানী,  খুন-গুম ওসইপ্পা বাহিনীর হামলার শিকারের আশঙ্কায় আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে সব সময়।  সইপ্পা অর্থের কাছে আইন প্রশাসনসহ সকলেই পরাজিত।

ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদ ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য নবীর হোসেন বলেন, মিজানের পৈত্তিক বসতবাড়ি দলিল তৈরী করেছে বলে শুনেছি। প্রতারণা করে কেউ কারো সম্পত্তি দখল করতে পারবেনা। কারো অবৈধ দখলদারের পক্ষে থাকার জন্য জনগন আমাকে ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি করেন নাই। জনগনের পক্ষে আছি থাকবো ইনশাল্লাহ।

Tags

সাবসক্রাইব করুন!

সবার আগে নিউজ পেতে সাবসক্রাইব করুন!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন