SS TV live
youtube
wb_sunny

এই মুহুর্তে

সোনারগাঁয়ের রক্তযোদ্ধাদের অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন- সাংবাদিক শাহজালাল

 



সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) : "জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান দিবস ২০২০" উপলক্ষে সোনারগাঁয়ের স্বেচ্ছায় রক্তদান করা ব্যক্তি ও সংগঠনকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন " পাশে আছি আমরা " ও মানবাধিকার সংগঠন "পুরুষ অধিকার ফাউন্ডেশন" সোনারগাঁ শাখার সভাপতি সাংবাদিক শাহ জালাল। 

আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত থেকে মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচাতে স্বেচ্ছায় রক্তদানকে সোনারগাঁ উপজেলায় একটি জনপ্রিয় সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করা সেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বপ্নের কাঁচপুর ভার্চুয়াল গ্রুপ, স্বপ্নের গঙ্গাপুর জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন ও ব্রাইট সোনারগাঁয়ের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সমস্যাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। মহান আল্লাহ আপনাদের উত্তম প্রতিদান দিক। 

আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে রক্তের চাহিদা বেশি। কিন্তু এসব উন্নয়নশীল দেশেই স্বেচ্ছায় রক্তদানকারীর সংখ্যা কম। আমাদের বেশির ভাগের মনে রক্তদানের ক্ষেত্রে ‘ভয়’ বাধা হিসাবে কাজ করে। কিন্তু আপনাদের এই মহত্ত্ব উদ্যোগ জয় করেছে মানবতাকে। 

যারা স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদান করে  মানুষের প্রাণ বাঁচাচ্ছেন সেসব মানুষ এবং  যারা রক্তদানে ভয় পায় তাদের ভয় দূর করে রক্তদানে উৎসাহিত করতে সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া দরকার। আপনাদের সেচ্ছায় রক্তদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিবছর মানব সেবায় পুরস্কৃত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা দরকার উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের। 

মানবদেহে রক্ত কয়েক মাস পর-পর এমনিতেই নষ্ট হয়ে যায়, আবার নতুন রক্ত জন্মায়। রক্ত দিন জীবন বাঁচান, মানুষ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করুন। আসুন সোনারগাঁয়ের প্রতিটি সুস্থ মানুষ হয়ে উঠি একজন রক্তযোদ্ধা। 

রক্তদানে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না বরং নিয়মিত রক্তদান করলে বেশ কিছু উপকারও পাওয়া যায়। যেমন-

১। একবার ভাবুন আপনার এক ব্যাগ রক্তদানে একসংগে তিনজন মানুষের জীবন বেঁচে উঠছে। সে মুহূর্তে আপনার যে মানবিক তৃপ্তি, তাকে কখনোই অন্য কোনো কিছুর সংগে তুলনা করা সম্ভব নয়।

২। রক্তদাতা রক্তদান করলে জানতে পারেন তিনি কোনো সংক্রামক রোগে ভূগছেন কি না।

৩। নিয়মিত রক্তদান করলে রক্তদাতার হার্ট ভালো থাকে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

৪। নিয়মিত রক্তদানে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। ফলে রক্তদাতার হার্ট এ্যাটাক, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদির ঝুঁকি কমে যায়।

৫। রক্তদানের মাধ্যমে মানুষের প্রতি মানুষের মমত্ববোধ বাড়ে।

৬। শরীরে রক্তকণিকা তৈরির কারখানা হলো অস্থিমজ্জা। নিয়মিত রক্তদান করলে অস্থিমজ্জা থেকে নতুন কণিকা তৈরির চাপ থাকে। ফলে অস্থিমজ্জা সক্রিয় থাকে। এতে যে কোনো দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে হঠাৎ রক্তক্ষরণ হলেও শরীর খুব সহজেই তা পূরণ করতে পারে।

৭। রক্তদান ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত পুণ্যের কাজ।

রক্তদান আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্বও বটে। এটা সম্পূর্ণ মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক কার্যক্রম। এর মাধ্যমে সামাজিক দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করে, এমনকি ধর্মীয় সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। সুতরাং আসুন, আমরা প্রত্যেকে হয়ে উঠি একেকজন রক্তযোদ্ধা এবং উৎসাহিত করি স্বেচ্ছায় রক্তদানে।

Tags

সাবসক্রাইব করুন!

সবার আগে নিউজ পেতে সাবসক্রাইব করুন!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন