SS TV live
SS TV
wb_sunny

এই মুহুর্তে

সংশয়ে সোনারগাঁওবাসী তল্লার মতো পরিনতি হবে নাতো চৌরাস্তার জামে মসজিদ!!

রুবেল মিয়া,সোনারগাঁও সময়ঃ পাশাপাশি দুইটি এসি ঠিক নিচেই শক্তিশালী গ্যাসের মিটার স্থাপিত তাও আবার মিটারের এক পাশের লিকেজ থেকে অবিরত বেরহচ্ছে গ্যাস। এমনিভাবে নারায়ণগঞ্জের তল্লার মতো বড় ধরনের দূর্ঘটনার প্রহর গুনছে একই জেলার সোনারগাঁ উপজেলার মোগড়াপাড়া চৌরাস্তায় অবস্থিত বাস স্ট্যান্ডের জামে মসজিদ। 

 সরেজমিনে দেখা গেছে, মসজিদ থেকে  ঠিক ৪-৫ ফুট দূরেই মধুবন সুইটস বা মিষ্টির দোকান। মধুবন মিষ্টির দোকানের ব্যবহৃত এই  রাইজার থেকে তাদের চুলার দূরত্ব মাত্র ৪ ফিট। হুইস পাইপ দিয়ে প্রতিদিন নিয়মিত ৪৫ ঘন ফুট বানার ব্যবহার করে যাচ্ছেন। মধুবন মিষ্টির মালিককে মুসল্লী ও আশেপাশে থাকা দোকানদার কয়েকবার অবগত করলেও লিকেজ মেরামত করা বা অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার কোন প্রকার ব্যবস্থা করছেন না বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় মুসল্লীগণ। 

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক দোকানদার জানান, কয়েকদিন আগেও আমরা বলেছি যে গ্যাস রাইজারটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে কিন্তু মসজিদ কমিটি ও দোকানের মালিকের কোনো কার্যকরী ভুমিকা দেখতে পাইনি। আমরা দূর্ঘটনা ঘটার আগে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করিনা বলেই আজ মৃত্যুর মতো ভয়াবহ দূর্ঘটনা অনবরত ঘটে চলছে।
 তাহলে সংশয় থেকেই যায় যদি কোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে তখন কাকে দায়ী করবে তিতাস কর্তৃপক্ষকে নাকি মিষ্টির দোকানের মালিকপক্ষকে? দায় কি এখানেই শেষ?

আকাশে বিদ্যুৎ চমকালে আগুনের সূত্রাপাত হতে পারে এবং বজ্রপাতের সময় বড় ধরনের বিপদ হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। এ ভাবে গ্যাস বাহির হতে থাকলে যে কোন সময় ঘটতে পারে তল্লার মসজিদের মতো বড় ধরনের দূর্ঘটনা। এখনই মসজিদ কমিটির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করেন স্থানীয় এলাবাসী। 
সামান্য ভুলের কারনে ঘটতে পারে বিপদজনক দূর্ঘটনা। তাই স্থানীয় সাংসদ ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সোনারগাঁওবাসী আবেদন জানান, নাঃগঞ্জ তল্লা মসজিদের মত বড় ধরনের বিস্ফোরণ বা দুর্ঘটনা ঘটা বা মৃত্যুর ফাঁদে পরিনত হওয়ার আগেই যেনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।  

Tags

সাবসক্রাইব করুন!

সবার আগে নিউজ পেতে সাবসক্রাইব করুন!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন