SS TV live
SS News
wb_sunny

এই মুহুর্তে

সৌদি প্রবাসী শাকিল রানার কান্না প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা



 প্রধনমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্থানীয় সাংসদ, প্রশাসন ও সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সৌদি প্রবাসী শাকিল রানার কান্নাকাটি করা ফেইসবুক লাইভ সোনারগাঁও জুড়ে টক অফ দা টাউন এ পরিনত হয়েছে। 

জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় টিপুরদি এলাকার সৌদি প্রবাসী শাকিল রানা তার নিজ বাড়ি ঘর চৈতী গ্রুপের অবৈধ দখলদারিত্ব থেকে ঠেকাতে স্থানীয় সাংসদের হস্তক্ষেপ নিলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কান্নাজরিত কন্ঠে ফেইসবুক লাইবে এসে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান তিনি। 

শুক্রবার সকাল থেকে অবৈধভাবে জোরপূর্বকভাবে প্রবাসীর যায়গা দখল করে ডাইংয়ের দূষিত পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ নির্মাণ করছেন চৈতী গ্রুপের ভাড়াটিয়া সন্ত্রসী পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোশারফের নেতৃত্বে। 

সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, চৈতি গ্রুপের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সাধারণ অসহায় এলাকাবাসী। এলাকায় কথিত আছে " উপরে আল্লাহ নিচে কালাম সাহেব,  মাঝে আর কিছু নাই "।  দীর্ঘদিন যাবৎ চৈতির ডায়িংয়ের দূষিত পানি ফেলে ঐ এলাকায় মারাত্মক পরিবেশ দূষণ করছেন, ফলে এলাকাবাসী বহুবার প্রতিবাদ, বিক্ষোভ, স্মারক লিপি, লিখিত অভিযোগ করা হলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না দাবি ভুক্তভোগীদের। 

ভুক্তভোগী প্রবাসী শাকিল রানার স্ত্রী সাদিয়া নাসরিন বলেন, আমর শশুর, স্বামী ও দেবর তারা সবাই বিদেশে আছে এই সুযোগে আমাদের জায়গা দখল করে ডাইং এর পানি নিষ্কাশনের জন্য পাইপ বসানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন । প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। কোম্পানির পালিত ভাড়া করা সন্ত্রাসী মোশারফ হোসেন  বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখায়ে এবং বাধা অমান্য করে ভেকু দিয়ে ডাইং এর পানি নিষ্কাশনের জন্য পাইপ বসানোর কাজ করে যাচ্ছে। 

চৈতি কম্পোজিট এর ডি জিএম বদরুল আলম বলেন, মারাত্মক পরিবেশ দূষণের বিষয়টি বন্ধের পর পুনরায় আবার চালু হয়েছে বলে আমার জানা নাই।  পরবর্তীতে তার সাথে ভিডিও ফুটেজ সহ যোগাযোগ করলে তিনি বলেন পুনরায় কাজ শুরু করার বিষয়ে আমি জানিনা।

সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীর জমিতে জোরপূর্বক ড্রেন নির্মাণের কাজ করছে বলে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে চৈতি গ্রুপ নামে একটি কোম্পানির ড্রেন নির্মাণের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি গত ২২ জুন। আবারও যদি বিষয়টি মিমাংসা না করে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে ড্রেন নির্মাণের কাজ অব্যাহত রাখে, তাহলে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

Tags

সাবসক্রাইব করুন!

সবার আগে নিউজ পেতে সাবসক্রাইব করুন!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন