SS TV live
SS News
wb_sunny

এই মুহুর্তে

সোনারগাঁয়ে পালিত মেয়েকে দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ করানোর অভিযোগ মায়ের বিরুদ্ধে



নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় অসামাজিক কার্যকলাপ রাজি না হওয়ায় পালিত মেয়েকে নির্যাতনেন অভিযোগ উঠেছে মায়ের বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের কোনাবাড়ি গ্রামে । এ ঘটনায় মেয়ে বাদী হয়ে তালতলা তদন্ত কেন্দ্রে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

জানা যায়, উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের কোনাবাড়ি গ্রামের মোঃ নজরুল ইসলামের পালিত মেয়ে (১৬) কে দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত করার চেষ্টা করে তার স্ত্রী হাসিনা বেগম। মায়ের এমন সিদ্ধান্তে পালিত মেয়ে রাজি না হলে তাকে র্দীঘদিন ধরে শারিরীক নির্যাতন করে ঘরে আটকে রাখেন। মেয়েটি নিজের জীবন রক্ষার্থে গত বুধবার দুপুরে কৌশলে ঘর থেকে বের হয়ে একই গ্রামের আঃ মতিন নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রয় নেয়। ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় কিছু বিচারকরা তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় মেয়ে বাদী হয়ে একটি অভিযোগ করেন।

পালিত মেয়ে (১৬) জানান, আমার পালিত মা র্দীঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত। আমাকে দিয়েও অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত করার চেষ্টা করেন । মায়ের এসব কর্মকান্ডে প্রতিবাদ করলে আমাকে শারিরীক নির্যাতন করেন, এমনকি আমার পড়ালেখাও বন্ধ করে দিয়েছেন। আমার জীবন বাঁচাতে এখন অন্যজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি।

অভিযুক্ত মা হাসিনা বেগমকে ফোন করলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে বলেন, আপনি ফাঁড়ির স্যারের সাথে কথা বলেন।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, এ মহিলার অসামাজিক কর্মকান্ডে এলাকাবাসী একাধিকবার বাঁধা দিয়েছেন কিন্তু কোনো ভাবেই বন্ধ করা যায়নি। যদি কেউ এককভাবে বাঁধা দিতে যায় তাকে জড়িয়ে নানান মন্তব্য করেন। মেয়ের বিষয়টি আমরা শুনে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করি। এ মহিলার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এলাকাবাসী গণস্বাক্ষর দিয়েছেন ।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহসিন হোসেন বলেন, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য আমরা সোমবার সকালে বসেছিলাম । এক পক্ষ উপস্থিত হয়েছে আরেক পক্ষ আসেনি । বর্তমান পরিস্থিতিতে শতাধিক লোক একসাথে নিয়ে বিচার শালিশ করেন কিভাবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, অনেক লোক উপস্থিত হয়েছিলো কেউ কারো পাশে ছিলো না। সন্ধ্যার পরে আবারও বসবো। বিষয়টি মীমাংসা না হলে আইনি প্রক্রিয়া চলবে।

তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আহসান উল্লাহ জানান, এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। তৃতীয় পক্ষ কোনো প্রকার সুবিধা নিচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে শতাধিক লোক একসাথে নিয়ে বিচার শালিশ করে কিভাবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এক সাথে এত লোক নিয়ে বিচার করার কোনো সুযোগ নেই ।

Tags

সাবসক্রাইব করুন!

সবার আগে নিউজ পেতে সাবসক্রাইব করুন!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন