SS TV live
SS News
wb_sunny

এই মুহুর্তে

৫ টন চাল বিতরণে চন্ডিপুর ইউপি চেয়ারম্যান জন রোষানলে।


জিহাদ হক্কানী
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ

১৪ নং চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ ফুল মিয়া ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় হতে করোনায় অসহায় লোকদের মাঝে চাল বিতরণের জন্য পাঁচ দফায় ৫টন চাল পান।এই ত্রাণের চাল প্রতি জনকে ১০ কেজি করে মোট ৫০০ জন অসহায় লোকদের মধ্যে বিতরণ করেন। কিন্তু এই ত্রাণ ১২ হাজার অসহায় পরিবারের জন্য শীতের জলে পিপাসা  মিঠানোর সামিল।অসহায় লোকজনের দুঃখ দুর্দশা চেয়ারম্যানকে পীড়া দেয়। তিনি পুরো ইউনিয়ন   খুঁজে খুঁজে ক্ষুধার্ত লোকদের নিজ অর্থায়নে সাহায্য সহযোগিতা করেন। তারপরও এলাকায় তার নামে ত্রাণ বিতরণের অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

১৪নং চন্ডিপুর  ইউনিয়নে আমাদের প্রতিনিধি সত্যতা যাচাই করতে গেলে অসহায় লোকদের মুখে শোনে নানা অভিযোগ। কেউ বলে ১২ দিনের বেশি হল আইডি কার্ড নিয়ে গেছে কোন ত্রাণ পাই নাই। আবার কেউ বলে লকডাউনে কাজ করতে না পারায়  না খেয়েও কোন কোন দিন কাটাতে হচ্ছে।অটোভ্যান ও রিক্সা চালকের দুঃখের কাহিনির শেষ নাই।রাস্তায় লোক না বেড় হলে তাদের অনেকে চুলায় হাড়ি ওঠে না।চায়ের স্টল ওয়ালা,ছোট মুদি দোকানদার,ঝালমুড়ির দোকানদার সহ সব ধরনের ছোট ব্যবসায়ী দিশেহারা হয়ে পড়তেছে। অনেক অসহায় লোক ত্রাণ না পেয়ে ঋণ করে চলতাছে। লকডাউন কতদিনে শেষ হবে তারই অপেক্ষার প্রহর গুনছে মধ্যবিত্ত পরিবার।কারণ তারা পারে না যেতে ত্রাণ নিতে আবার পারে না সংসারের অভাব মিটাতে।করোনা যেন তাদের উপর বড় ধরনের অভিশাপ। ক্ষুধা মানে না কোন মহৎ বাণী।তারই বাস্তবতা শোনা যায় এলাকার দিনমজুরদের কন্ঠে। তাদের অভিযোগ চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা  ভোট না দেওয়ার অভিযোগে তাদের কোন সাহায্য সহযোগিতা করে না।জন প্রতিনিধির নামে তারা করে স্বজন প্রীতি।

চেয়ারম্যান কে এসব অভিযোগের কথা বললে তিনি জানান,এপর্যন্ত পাঁচ টন চাল পেয়েছে তা ৫০০জন অসহায় লোকদের প্রদান করেন। তিনি সংবাদপত্রের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ত্রাণ সংশ্লিষ্ট  উর্ধ্বতন কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন খুব দ্রুত যেন তাঁরা তার এলাকার অসহায় ১২,০০০ হাজার লোকের ক্ষুধা মিটায়। নতুবা অনেকে না খেয়ে মারা যাবে।অসহায় লোকজন আর মধ্যবিত্তদের ভাবনায় চন্ডিপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বদনে ভেসে ওঠে অসহায়ত্বের নিদারুণ কষ্টের ছাপ।
ছবি সংযুক্ত

Tags

সাবসক্রাইব করুন!

সবার আগে নিউজ পেতে সাবসক্রাইব করুন!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন