SS TV live
SS News
wb_sunny

এই মুহুর্তে

জেলা পরিষদ অর্থায়ণে নির্মিত ঘাট আনোয়ার সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর দখলে দূর্ভোগে সাধারন জনগন



 বিশেষ প্রতিনিধি:  মুন্সীগঞ্জ গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউপির  তেতৈতলা এলাকায় অবস্থিত আনোয়ার সিমেন্ট ফ্যাক্টরী দখলে নিয়ে গেছে  জেলা পরিষদ অর্থায়ণে নির্মিত সরকারি ঘাট। সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর কর্তৃপক্ষ  বাউন্ডারী দেয়াল ও গেট নির্মাণ করে  সরকারি ঘাটটি দখলে নিয়ে যাওয়ায় চরম জনদূর্ভোগে পড়ে ২০ হাজার  পরিবার। জনগনের গোসল ও রান্না বান্নার পানি সরবারহের জন্য এক মাত্র স্থান হচ্ছে মেঘনা নদীর শাখা এ খালের ঘাট। এছাড়াও আনোয়ার সিমেন্ট ফ্যাক্টারীর  সিমেন্টের ক্লিংকার ডাষ্ট বাতাসের সঙ্গে মিশে মারাত্বক ঝুকিতে পড়েছে  পরিবেশ।  পরিবেশ দুষণসহ নানা দূর্ভোগ পরিত্রান  চায় গ্রামবাসী।
সরজমিনে গিয়ে  দেখা যায়, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের পার্শ্বে গজারিয়া উপজেলার তেতৈতলা এলাকায়  মেঘনা নদী ঘিরে গড়ে উঠেছে আনোয়ার সিমেন্ট নামে এক সিমেন্ট তৈরীর কারখানা। খালটি মেঘনা নদীর মহনা থেকে তেতৈতলা উপর দিয়ে  বয়ে গেছে ভাটেরচর পর্যন্ত।  বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডবাসীর সুবিধার্থে জেলা পরিষদ অর্থায়ণে খালে নির্মাণ করা একটি পাকা ঘাট।  সরকারি ওই ঘাট দিয়ে প্রদিদিন ৫হাজার থেকে ৭ হাজার মানুষ গোসল  ও রান্না বান্নার জন্য পানি নিয়ে থাকেন।  গ্রামবাসীর এক মাত্র ঘাটটি আনোয়ার সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর সুবিধার্থে ঘাটের সামনে একটি বিশাল গেইট নির্মাণ করে । এতে  গ্রামবাসী চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এছাড়াও চরাঞ্চল  এলাকার সাধারণ মানুষ সিমেন্ট তৈরীর ক্লিংকার বাতাসের সঙ্গে মিশে পরিবেশ দুষিত হচ্ছে। এ দুষিত বায়ুতে স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়েছে আশপাশে গড়ে উঠা স্কুল-মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা ও জনসাধারণ।
স্থানীয় বাসিন্দা  মো. আব্দুল হান্নান জানান,  তেতৈতলা এলাকায় সিমেন্ট ফ্যাক্টরীটি হওয়ার পর থেকে সিমেন্টে ডাস্ট উড়ে  ফসলি জমিতে পড়ছে। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। মৌসুমী  ফল  আমের মুকুলসহ অন্যান্য ফলের গাছে কোনো ফল হয় না। সিমেন্টের ডাস্ট পড়ে ঘরবাড়ির টিনের চালা মুরিচা ধরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।  ডাস্ট বাতাসে মিশে শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে দেহে  প্রবেশ করছে বলে শ্বাস কষ্ট এবং এলার্জী জনিত  রোগে  ভূগছেন শিশু ও বৃদ্ধারা।
১১ নং তেতৈতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী  রুবাইয়া আক্তার জানান,  আনোয়ার সিমেন্ট কোম্পানীর ডাস্টের কারনে স্কুলে বসে ক্লাস করার সমযে কাশি আসে এবং শ্বাস কষ্ট হয়। সিমেন্টের গাড়ি চলাচলা নানা মূখী সমস্যায় পড়তে হয়।
  তেতৈতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি  মো. জুয়েল প্রধান জানান,  তেতৈতলা এলাকায় শিক্ষা ব্যবস্থায়  অবস্থিত হয়েছে,  আল আমিন ইসলামীয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা,  মৈনীয়া সুন্নীয়া  আলিয়া মাদ্রসা, তেতৈতলা আইডিয়েল স্কুল । সিমেন্ট  কারখানার বায়ু দুষণে শিক্ষার্থীরা চরম সমস্যার মধ্যে পাঠদান করে আসছে। এছাড়াও শব্দ দূষণে অতিষ্ট হয়ে পড়ে স্কুলের শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসী। পরিবেশ দুষণ ও ঘাট দখলে নেওয়ার বিষয়ে প্রতিবাদ করলে  সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর মালিক পক্ষ থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে পুলিশ হয়রানী করে। গ্রামবাসী সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা আশরাফুরজামান ফারুক  সঙ্গে এ বিষয়ে সমঝতায় বসলেও  তিনি আশ্বস্ত করেন। কিন্তু অদ্যবধি কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করে নি।

উপজেলা নিবাহি কর্মকর্তা (ইউ এন ও )হাসান সাদী  এর সাথে মোটফোনে কথা বললে. তিনি জানান বিষয়টি আমি জেনেছি এব্যাপাওে লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত  ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ব্যাবস্থ গ্রহন করবো।
এব্যাবারে আনোয়ার সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর (সিও) আশরাফুরজামান ফারুক  সঙ্গে মোটফোনে কথা বললে. তিনি জানান  সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর ডাস্ট উড়বে এটা  সবাভিক ,ডাস্ট আমার নাকেও যায় ,আমি কি করবো, এব্যপারে  কথা বলার জন্য আমার উর্ধতম কর্মকর্তঅ আছে  আপনারা আমাদের হেড অফিসে যান

Tags

সাবসক্রাইব করুন!

সবার আগে নিউজ পেতে সাবসক্রাইব করুন!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন