SS TV live
youtube
wb_sunny

এই মুহুর্তে

শিক্ষিত সমাজের অশিক্ষিত বিবেক!

                                    বিবেক!
                           
কাউকে কখনো ছোট করে দেখা ঠিক না
যা আমি কখনো করিনি।

প্রতিটা বাবার কাছেই তার সন্তান অমুল্য রতন
সেই অমুল্য রতনকে যদি কেউ তুচ্ছ ভেবে দূরে ঠেলে দেয় তখন পৃথিবীর সকল কষ্ট তার বাবার বুকে আছড়ে পরে।
তেমনি এক ঘটনার বিবরন দিলাম........................
২৮ জুলাই এক বাবার রাজকন্যার জন্মদিন ছিলো
ধুমধাম করে নয়,মসজিদের ইমাম সাহেব কে এনে দোয়া পরানো হলো,সেখানে উপস্থিত ছিলো সমাজের অনেক উচু গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও চাচ্চুরা,সেই রাজকন্যার ছিলো আদি যুগের এক কাকা,আরেকটা কথা বলে রাখি আমাদের বর্তমান সমাজে কাকার চাইতে চাচ্চুদের মুল্যয়ন একটু বেশীই করা হয়।
যাইহোক সেই কাকার আবার ছিলো একটি রাজকন্যা যে নিজের চাইতে তার রাজকন্যাকে অনেক বেশী ভালোবাসে।
সেই জন্মদিনে রাজকন্যাকে না বলে বলা হলো সেই কাকাকে,
কাকার মনে একটু কষ্ট আমার পরিবারের কাউকে না বলে আমাকে বলা হলো,যাইহোক রাজকন্যা তো যাবেই কষ্ট সব ভুলে গেলো,
দিন পেরিয়ে সন্ধ্যা সন্ধ্যা শেষে রাত,কাকাকে ফোন দেওয়া হলো আসতে দেরি হওয়ায় কাকা বললো আসতে একটু দেরি হবে,অনেক দেরি হওয়ায় কাকা বাসায় চলে এসে দেখে তার রাজকন্যাকে তারা তাদের অনুষ্ঠানে বলেই নি এবং একটু কেক আর বিরিয়ানি দিয়ে গেছে,যা দেখে রাজকন্যা কান্নাজরিত কন্ঠে তার বাবাকে বলে সেই রাজকন্যা কেক কেটেছে আমি কেন যাইনি?
বাবার চোখে জ্বল! কি উত্তর দেবে বাবা? তাকে বুঝিয়ে বলা হলো তোমার জন্য অনেক বড় একটি কেক আনবো,ফেলে দেওয়া হলো সেই কেক যা তারা দিয়ে গিয়েছিলো,এই রাজকন্যাকে সেই রাজকন্যার বাড়িতে কেন নেওয়া হয়নি জানেন? কারন সেই রাজকন্যা কথা বলতে পারেনা বলে এই রাজকন্যা চাচ্চুদের সামনে গেলে তাদের সম্মানহানি হবে।
ধিক্কার জানাই সেই সব শিক্ষকদের যারা এমন শিক্ষার্থীকে এই শিক্ষায় শিক্ষিত করেছে,

মনে রাখবেন কারো বাড়িতে বেড়াতে গেলে আপনার কোলে যদি শিশু থাকে তাহলে সবার আগে আপনাকে নয় আপনার সন্তানকেই তারা আদর করে বুকে টেনে নিবে
জানিনা গল্পটি কার কেমন লেগেছে তবে আমার চোখের জ্বল ধরে রাখতে পারিনি।

লেখক: মো: মিঠু আহমেদ

Tags

সাবসক্রাইব করুন!

সবার আগে নিউজ পেতে সাবসক্রাইব করুন!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন