SS TV live
youtube
wb_sunny

এই মুহুর্তে

কালের বিবর্তনে বিলীন হতে চলেছে শত বছর পুরনো সোনারগাঁওয়ের কাইকারটেক হাট ।।

      
রুবেল খান, সোনারগাঁও (নারায়নগঞ্জ) থেকে : কালের বিবর্তনে বিলীন হতে চলেছে শত বছরের পুরনো কাইকারটেক হাট। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের কাইকারটেকে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে শত বছরের পুরোনো এই হাট টি অবস্থিত।
প্রতি রোববারে বসে কাইকারটেকের হাট। প্রায় ৫০ বিঘা জমির উপর কাইকারটেক হাটটির অবস্থান হলেও সেখানে প্রয়োজনীয় শৌচাগার নেই। নেই নদ-নদীর তীরে কোনো ঘাটও। হাটটির উন্নয়নে ইতিপূর্বে সরকারীভাবে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বললে তাঁরা জানান, জলপথ ও সড়ক পথে পণ্য আনা-নেওয়ার সুবিধার্থে নদ-নদীর তীরে  হাট বসানো হয়। সোনারগাঁ উপজেলা ছাড়াও পাশের বন্দর, আড়াইহাজার, কুমিল্লার মেঘনা, দাউদকান্দি ও মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বাসিন্দারা এ হাটে নানা পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করেন।
এদিকে কোষানৌকা, পোতা মিষ্টি, কাঠ-বাঁশ ও কৃষিজাত পণ্যের জন্য কাইকারটেক হাট নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ জেলায় সুপরিচিত। গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি থেকে শুরু করে তরমুজ, চাল, ডালসহ কৃষকদের উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করা হয়।
ঈদুল আজহার সময় নারায়ণগঞ্জের অন্যতম একটি পশুর হাটও এখানে বসে। শত বছরের পুরোনো এই হাটটি এখনো ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কোষানৌকা কেনাবেচার জন্য সব স্থানের মানুষ এ হাটে ভিড় করে।
হাটের ইজারাদার বলেন, এই হাটে নদের তীরে একটি ঘাট নির্মাণ করা একান্ত দরকার। তা ছাড়া হাটে প্রয়োজনীয় শৌচাগারও নেই। এছাড়া নানা ধরনের সমস্যা রয়েছে। সমস্যাগুলোর সমাধান হলে মানুষ হাটের প্রতি আরও বেশি আগ্রহ নিয়ে বেঁচাকেনা করতে আসবে।”
যতই দিন যাচ্ছে শত বছরের পুরনো হাটটি তার নিজ ঐতিহ্য হারাচ্ছে। তাই স্থানীয় এলাকাবাসীর একটাই দাবী স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং এলাকার প্রভাবশালী মহল যেন অতিদ্রুত উদ্যোগ নিয়ে কার্যকর ভূমিকা গ্রহণে এগিয়ে আসেন। আর তাহলেই হাটটির পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপুর্ণ অবদান রাখবে। এতে করে ঐতিহ্যের ধারক সোনারগাঁও ফিরে পাবে তার সুপ্রাচীণ ঐতিহ্য।

Tags

সাবসক্রাইব করুন!

সবার আগে নিউজ পেতে সাবসক্রাইব করুন!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন