একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও আমরা ।। সোনারগাঁও সময়।।



সোনারগাঁও সময়ঃ সম্প্রতি একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানীয় ভিসি নিয়োগ নিয়ে স্যোশাল মিডিয়াতে বিতর্ক এবং আমার এ লেখার অবতারনা। বিশ্ববিদ্যালয় সৃষ্টির পর্যালোচনা করলে দেখতে পাই পৃথিবীর যে সকল বিশ্ববিদ্যালয় প্রথমে গড়ে উঠেছিলো তার প্রায় সবগুলোই সম্প্রদায়ভুক্ত হিসাবে প্রকাশ পেলেও যুগের সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশ্বমানের অসাম্প্রদায়িক বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে রুপ নিয়েছে। আধুনিক সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তা এক কথায় অপরিসীম এবং ব্যাপক।

আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প-সাহিত্য, আর্ট, কলা, সামাজিক -বিজ্ঞানের বিস্তৃত বিষয়াদিসহ এক কথায় সবকিছুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সৃষ্টি। একাডেমিক ডিসকোর্সে জ্ঞান জগতের বিস্তৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৃষ্টি। 

গবেষণার কাজে আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অপরিসীম। নতুন নতুন জ্ঞান উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অগ্রগামী ভূমিকা পালন করছে।

সুতরাং এ বিবেচনায় একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি কে হবেন তা নির্ভর করে তিনি কতটা প্রজ্ঞাবান, কতটা ন্যায়-নিষ্ঠ, কতটা নেতৃত্ব দানে সচেষ্ট, কতটা রাজনৈতিক সচেতন অনেকটা তার উপর। আমরা যতদিন কে বড় কে ছোট, কালো না ধলো, নারী না পুরুষ, আমার মতের না অন্য মতের, আমার সম্প্রদায় না অন্য সম্প্রদায় থেকে বের হতে না পারবো ততো দিন পর্যন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের মান নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে এবং আমাদের সার্বিক অবস্থান ও বিশ্বের কাছে প্রকাশিত হবে। 

ভাবতেই অবাক লাগছে বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগ কেন অন্য সম্প্রদায় থেকে হলো তা নিয়ে কেউ কেউ বিতর্ক করছে স্যোশাল মিডিয়াতে! গনতান্ত্রিক দেশে যোগ্যতা নিয়ে সমালোচনা করা যেতে পারে কিন্তু কোন অবস্থাতেই তাঁর ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে নয়। সবাই ভালো থাকবেন।

(মোল্লা নজরুল ইসলামের ফেসবুক থেকে )

মোল্লা নজরুল : পুলিশের  উর্ধ্বতন কর্মকর্তা
Marcadores:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

[blogger]

MKRdezign

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget