বাংলাদেশের বিপক্ষে উইকেট শূন্য রসিদ খান

ম্যাচের আগে ভাবনা ছিল রশিদ খানকে সামলানো নিয়ে। বাংলাদেশ যে কঠিন উইকেটে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়তে পারল, সেটির একটি বড় কারণ এই লেগ স্পিনারকে সামলানোর চ্যালেঞ্জে জয়ী হওয়া।
সাউথ্যাম্পটনে সোমবার ১০ ওভারে ৫২ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি রশিদ। বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬ ওয়ানডে খেলে এই প্রথমবার পঞ্চাশ বা তার বেশি রান খরচ করলেন তিনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে ৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে উইকেটশূন্য থাকলেন প্রথমবার।
বাংলাদেশের বিপক্ষে আগের ৫ ওয়ানডেতে একবারই ৪০ রানের বেশি দিয়েছিলেন রশিদ। গত এশিয়া কাপে আবু ধাবিতে ১০ ওভারে দিয়েছিলেন ৪৬ রান। সেই ৫ ওয়ানডেতে উইকেট নিয়েছিলেন ১০টি।
তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলে নিয়েছেন বাংলাদেশের ৮ উইকেট। একটি ম্যাচেও রান দেননি ওভারপ্রতি ছয়ের বেশি।
এবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বাংলাদেশের রণপরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিশ্চয়ই ছিল রশিদকে উইকেট না দেওয়া। উইকেট ছিল দারুণ স্পিন সহায়ক। কিন্তু নিজেদের পরিকল্পনায় বাংলাদেশ সফল দারুণভাবে।
রশিদের দ্বিতীয় ওভারেই অবশ্য সাকিবকে আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার। সতীর্থদের সঙ্গে উল্লাসে ভেসেছিলেন এই লেগ স্পিনার। কিন্তু রিভিউ নেন সাকিব। দেখা যায়, বল চলে যাচ্ছিল স্টাম্পের ওপর দিয়ে। এরপর আর উল্লাসের সুযোগ রশিদকে দেয়নি বাংলাদেশ। তার বোলিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল সাবধানী ব্যাটিংয়ে। ৪ ওভারের প্রথম স্পেলে রান দিয়েছিলেন ১৫। দুই ওভারের পরের স্পেলে রান আসে ৬।
প্রান্ত বদলে আবার তাকে আনা হয় ৩৯তম ওভারে। মুশফিক তখন খেলছেন দারুণ আত্মবিশ্বাসে। তার দারুণ সুইপে একটি বাউন্ডারিসহ ওই ওভারে আসে ৯ রান। ৩ ওভারের শেষ স্পেল থেকে আসে ২২ রান।
রশিদের বোলিংয়ে এ দিন বাংলাদেশের কৌশল ছিল কোনো ঝুঁকি না নেওয়া। লফটেড শট প্রায় ছিলই না। শেষ স্পেলের আগে সেভাবে সুইপ বা স্পিনের বিপক্ষে শটও দেখা যায়নি। তার ১০ ওভারে বাউন্ডারি এসেছে কেবল তিনটি। এক-দুই করে নিয়েই তবু শেষ পর্যন্ত রান নেওয়া গেছে ওভারপ্রতি পাঁচের বেশি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

[blogger]

MKRdezign

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget